
ডেস্ক রিপোর্ট :
পার্বত্যাঞ্চলের দুর্গম জনপদে অসংখ্য মানুষের কাছে চক্ষু চিকিৎসা ও দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার আশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, ছানি রোগ শনাক্তকরণ, অপারেশন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছেন।
আজ সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রেইছা ইউনিয়ন পরিষদে চক্ষু ক্যাম্পে যারা ১০০ জনের উপরে অপারেশন করে এসেছে তাদেরকেও পুনরায় চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প করা হয়েছে।
রুমাবার্তা প্রতিনিধি সাক্ষাৎতে কেএসমং বলেন, এক-দুই বছরের মাথায় প্রায় ৩হাজারের বেশি চক্ষু রোগীকে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। চক্ষু ক্যাম্প সেবা নির্ধারণ করেছি তারাছা,রুমা ও রেইচা তিন স্থানে চিকিৎসা সেবার জন্য সুদক্ষ চিকিৎসক নিয়ে রোগীদের সুচিকিৎসা সেবা প্রদান করেছি।
বিশেষ করে বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়, যেখানে আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো কঠিন, সেখানে কেএস মংয়ের উদ্যোগে আয়োজিত চক্ষু ক্যাম্প বহু মানুষের জীবনে নতুন আলোর সঞ্চার করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও অসচ্ছল ব্যক্তি, যারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না, তারা এসব উদ্যোগের মাধ্যমে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে দেখতে সক্ষম হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কেএস মং শুধু চিকিৎসাসেবার আয়োজনেই সীমাবদ্ধ নন; তিনি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া, অপারেশনের ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনীয় পরবর্তী সেবার দিকেও নজর রাখেন। ফলে পাহাড়ের সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সমাজসেবায় তাঁর ধারাবাহিক অবদানের কারণে অনেকেই কেএস মংকে “পাহাড়ে চক্ষু দৃষ্টি ফিরিয়ে আনার অপর নাম” হিসেবে অভিহিত করেন। মানবিক এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পার্বত্যাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজসেবীদের এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হলে দুর্গম অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্তি অনেক সহজ হবে।
