বুধবার, মার্চ ১১, ২০২৬
Homeউন্নয়নপাহাড়ি-বাঙালীর আস্থার প্রতীক পলাশ চৌধুরীকে বান্দরবান জেলা পরিষদে সদস্য পদে দেখতে চায়...

পাহাড়ি-বাঙালীর আস্থার প্রতীক পলাশ চৌধুরীকে বান্দরবান জেলা পরিষদে সদস্য পদে দেখতে চায় সাধারণ জনগণ

স্টাফ রিপোর্টার:

পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও উন্নয়নের প্রত্যাশা দীর্ঘদিনের। এই প্রেক্ষাপটে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্রমেই আলোচনায় উঠে আসছে এক পরিচিত নাম পলাশ চৌধুরী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পলাশ চৌধুরী গত দুই দুই বার রুমা সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার হিসেবে সৎ, সততা, নিঃস্বার্থভাবে জনগণের কাজে পাশে থেকেই কাজ করে এসেছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্ট সংগঠনের বান্দরবান জেলাতে সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক ও রুমা উপজেলার আহ্বায়ক পদে দায়িত্বরত অবস্থানে আছেন। আরো জানা গেছে, তার পিতা লালমোহন চৌধুরী পাকিস্তান আমল থেকে পাইন্দু ইউনিয়নে স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পাইন্দু ইউনিয়নেও দুইবার ইউপি মেম্বার ছিল ও তার মা অমিতা চৌধুরীও একবার মহিলা মেম্বার ছিল।

বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ার মহল্লার ভাষ্য মতে, পাহাড়ি-বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতীক হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের মধ্যে সমন্বয়, সামাজিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি সব সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অনেকেই মনে করছেন পলাশ চৌধুরীকে বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের স্বার্থে এমন একজন প্রতিনিধির প্রয়োজন, যিনি পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের কথা সমানভাবে ভাববেন। আমরা মনে করি পলাশ চৌধুরী সেই যোগ্যতা রাখেন।

তবে এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা পরিষদ থেকে কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। তবুও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ভবিষ্যতে জেলা পরিষদে এমন প্রতিনিধিত্ব আসবে, যা পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সম্পর্কিত আর্টিকেল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য

error: