
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বান্দরবানে রুমা উপজেলার চার ইউনিয়নের নির্বাচিত মেম্বার সর্বমোট ৩৬জন। এরমধ্যে জনগণের সেবার সাথে কম বেশি সবারই সম্পর্ক রয়েছে। তবে তারই মধ্যে সততা ও মানবিকতা জনগণের ফেরিওয়ালা হিসেবে দৃষ্টান্ত করলেন রুমার রেমাক্রী ইউপি ৭নং ওয়ার্ডে সদস্য সাকসিং ম্রো।
সরেজমিনে তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ৩নং রেমাক্রী ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডে দুই দুই বারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য সাকসিং ম্রো সততা, মানবিকতা ও জনসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে তিনি এলাকায় একজন আদর্শ জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ভিজিডি, ভিজিএফ, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা কর্মসূচি বিতরণের ক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই সেবা প্রদানের জন্য তিনি কখনোই কোনো প্রকার অর্থ বা ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন না।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দেশের অনেক স্থানে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর শোনা যায়। কিন্তু সেই প্রেক্ষাপটে সাকসিং ম্রো এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ তৈরি করেছেন। তিনি শুধু নিয়ম মেনে সহায়তা বিতরণই করেন না, বরং প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের খোঁজ নিয়ে তাদের তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগও নেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনগণের পাশে দাঁড়ানোই যেন তার প্রধান লক্ষ্য। এলাকার কোনো পরিবার বিপদে পড়লে বা হঠাৎ অসুস্থতা, খাদ্য সংকট কিংবা জরুরি প্রয়োজনে সহায়তা প্রয়োজন হলে তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেন। অনেক সময় সরকারি সহায়তা আসার আগেই তিনি নিজের পকেটের টাকা ব্যয় করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।
রেমাক্রী ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সাকসিং মেম্বারের মতো একজন সৎ ও মানবিক জনপ্রতিনিধি পাওয়া আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দেন না। বরং সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দেন। বর্তমান সময়ে যেখানে অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, সেখানে সাকসিং ম্রো সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে একটি শক্ত বার্তা দিয়েছেন জনপ্রতিনিধিত্ব মানে জনগণের সেবা, ব্যক্তিগত লাভ নয়।
এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি একইভাবে মানুষের পাশে থাকবেন এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রেমাইক্রী ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়নে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
