কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মহালছড়ির সমতল এলাকাগুলো বন্যায় প্লাবিত

0
89

মিল্টন চাকমা( কলিন)।।মহালছড়ি।।

গত কয়েক দিন ধরে প্রবল বৃষ্টিতে চেঙ্গী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ির সমতল এলাকাগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে মুবাছড়ি ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি। কোমর সমান পানি উঠেছে এই রাস্তাটিতে। এছাড়াও পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের মানুষ।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মহালছড়ি উপজেলার সাথে সিঙ্গিনালা (মুবাছড়ি ইউনিয়ন ) যোগাযোগের একমাত্র সড়কটিতে কোমর সমান পানি উঠেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে মুবাছড়ি ইউনিয়নের জনসাধারণ। কয়েকদিন যাবত প্রবল বৃষ্টি হওয়াতে চেঙ্গি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদীর পাশ্ববর্তী গ্রাম গুলোতে পানি উঠে যায়। এতে পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন মহালছড়ির সিলেটি পাড়া, চট্টগ্রাম পাড়া, ব্রীজপাড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ। তাদের বসতঘরের ভিতরে পানি প্রবেশ করেছে।

অন্যদিকে মুবাছড়ি ইউনিয়নের সাথে মহালছড়ি সদরের একমাত্র যোগাযোগের রাস্তাটি ডুবে যাওয়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে মুবাছড়ি ইউনিয়নের জনসাধারণ, স্কুল-কলেজ এ পড়ুয়াগামী ছাত্র -ছাত্রী, শিক্ষকসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন অধিদপ্তরে কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

ব্রীজপাড়া গ্রামের স্হানীয় বাসিন্দা তিতাস চাকমা জানান, গত কয়েক দিন ধরে তুমুল বৃষ্টি হওয়াতে কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। রাতে ঠিক মতো ঘুমাতে পারছিনা। সাপ, পিপড়া এবং অন্য পোকামাকড়ের উপদ্রুবে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে আছি।

আরেকজন বাসীন্দা বিপল চাকমা বলেন, আগেও একবার বন্যা হয়েছে। ব্রীজ পাড়ার ঘর-বাড়ি পানিতে ডুবে যায়। ঘর-বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হয়েছে। বেশি কষ্ট হয়েছে রাতের অন্ধকারে বৃদ্ধ ও ছোট বাচ্চাদের নিয়ে।

মহালছড়ি উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ আবুু রায়হান বলেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বন্যার্তদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং সবার জন্য শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আছে তাদের জন্য দুপুরের ও রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here