আলীকদমে মাতামুহুরী নদীতে বিজিবি-বন বিভাগের যৌথ অভিযানে সেগুন কাঠ-বাঁশ জব্দ

0
32

সুশান্ত তচঙ্গ্যা,আলীকদম:

‎বান্দরবানের আলীকদমে ব্যাটালিয়ন ৫৭ বিজিবি ও বন-বিভাগের যৌথ অভিযানে মালিক বিহীন অবস্থায় সেগুন গোল কাঠ জব্দ করা হয়েছে। লামা বন-বিভাগের আওতাধীন মাতামুহুরী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন এলাহি, বিট কর্মকর্তা রনি পারভেজ ও অত্র রেঞ্জের স্টাফ’সহ আলীকদম উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাতামুহুরী ব্রিজের নিচ থেকে ২৪-পিস সেগুন গোল কাঠ ও ৬ শত বাঁশ জব্দ করা হয়।

‎পরবর্তীতে ৩০শে আগস্ট শুক্রবার দিবাগত রাতে আলীকদম উপজেলার মাতামুহুরী নদী পাড়ে মংচাপাড়া নামক স্থানে ব্যাটালিয়ন  ৫৭বিজিবি’র একটি বিশেষ চোরাচালান বিরোধী যৌথ অভিযানে পরিচালনা করে অবৈধভাবে পাচারকৃত মোট ৩২.৭৪ ঘনফুট সেগুন গোল কাঠ মালিক বিহীন অবস্থায় জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সেগুন গোল কাঠ গুলো মাতামুহুরী রেঞ্জের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

‎তথ্য সুত্রে জানা যায়,বাবুপাড়া এলাকায় বন বিট কার্যালয়ে সামনে নদীপথের চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন রাতের আঁধারে মাতামুহুরী রির্জাভ হতে গাছ আর বাঁশ পাচার করা হয়। তাদের সহযোগীতা করেন নদী চেকপোস্টে বোটে দায়িত্বে থাকা ফরেস্ট স্টাফ তপন দাশ ও তার সাথে ইঞ্জিল বোটে দায়িত্বে থাকা ফরেস্ট স্টাফরা।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গাছ ব্যবসায়ীরা বলেন,ফরেস্ট স্টাফ তপন দাশ ও গেইট ম্যান মিলে গাছের প্রতি মুথায় ৫০ টাকা আর প্রতিটি বাঁশের মধ্যে ৫ টাকা হারে টাকা নেন সুযোগ বুঝে গভীর রাতে এসব অবৈধ কর্মকান্ড চালান তিনি।

‎লামা বন বিভাগের বন বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান,মাতামুহুরী রিজার্ভ ফরেস্ট সংরক্ষিত এলাকা হতে বড় আকারের সেগুন গাছের চালা আসছে এমন খবর মাতামুহুরি এলাকায় বসবাসরত লোকেরা আমার কাছে খরবটি নিশ্চিত করেন। তবে বাঁশের চালা আসবে এমন তথ্য আমার কাছে ছিলনা। গাছের চালা আর বাঁশের চালা বাবুপাড়া নদী চেকপোস্ট দিয়ে কিভাবে পার হলো এটি তদন্ত করা হচ্ছে। ফরেস্ট স্টাফদের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here